Friday, November 23, 2018
লড়াইয়ের বৈধকরন (justification)
চিন্তাংশ (meme) এর ব্যাপার হচ্ছে তা ছড়ায় ও প্রজন্মান্তর টিকে থাকার চেষ্টা করে। ইসলামি জিহাদি, কমিউনিস্ট গনহত্যাকারি, জাতীয়তাবাদি সমাজতান্ত্রিকসহ যতরকম আদর্শ আছে, তাদের ভয়াবহতা যদি কিছু থাকে, সেটা তাদের হত্যাযজ্ঞতে যতটা না, তার চেয়ে বেশি হচ্ছে তার আদর্শিক ব্যবস্থা ও তার সাথে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক বর্ণনা বা narrative টা রাজত্বকারী করে তাকে টিকিয়ে রাখা। সহজ ভাষাতে বললে, নামাজিরা টিকে থাকবে ও নাস্তিকদের গবেষনা তথ্য বিলুপ্ত হয়ে যাবে এরকম হচ্ছে ব্যাপারটা।
Monday, August 27, 2018
প্রশিক্ষনাবলী - training
আস্তিকদের প্রতিটা মিথ্যাচারের জবাব আগের লেখাগুলোতে দেওয়া হয়ে গেছে। আস্তিকদের কথার জবাব দিতে যে জ্ঞানগুলো দরকার ছিলো নির্দিষ্ট কি কি বিষয়তে, সেটাতে দক্ষ এক বা একাধিক নাস্তিকদের দরকার ছিলো, যেটা ভাগ্যক্রমে হয়ে গেছে বাংলাভাষি নাস্তিক লেখকদের ধরন বা type অনুযায়ী যেটা নিয়ে বর্ণনা দিবার চেষ্টা পরে হবে। এই লেখাটা তৈরি করা হচ্ছে নাস্তিকদের জীবনাচরন সংস্কৃতি কিরকম হবে ও নাস্তিক হিসাবে বিভিন্ন করা প্রশ্নের জবাব দেওয়া। মানুষসহ সব চিন্তাশীল বস্তু যার মধ্যে AI ও আছে, তাদের চিন্তার খাতের বস্তুগুলো নির্ভর করে পরিবেশ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের উপরে ও সেটার জন্য চিন্তাতে সম্পূর্ণতা বা অসম্পূর্ণতা থাকতে পারে যেমন কোনোকিছু অনুভব করা কিন্তু সঠিকভাবে বর্ণনা করতে না পারা, যার জন্য এই লেখাটা অসম্পূর্ণ মনে হতে পারে। লেখাটা edit করে ক্রমান্বয়ে তথ্য যুক্ত করা হবে প্রশিক্ষনের প্রয়োজনে।
প্রথমে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টা সেটা হচ্ছে যে বাংলাভাষি নাস্তিক সমাজে আন্তর্জাতিক রাজনীতির capitalist বা ধনতান্ত্রিক খাও দাও ফুর্তি করো উপভোগ নীতি vs communist বা কেউ খাবে খাবেনা তা হবেনা, জোর করে সবাইকে সমান করাতে হবে নীতির লড়াইটা বড় রকমে দেখা যায়। অন্যান্য নাস্তিক সমাজের হিসাবের তুলনায় এখানে capitalist communist অনুপাতটা বেশিমাত্রায় evenly spread বলে হয়তো এরকম। এর সাথে জড়িত আছে বাঙালি সংস্কৃতির চর্চা মানে কি কি সংস্কৃতি বাঙালি হবে এবং বাঙালি হবেনা তা নিয়ে চলমান লড়াইটা ও তার পক্ষরা মানে belligerent রা। বাঙালি সাংস্কৃতিক গ্রুপগুলোকে বুঝা যায় তাদের তবলা, একতারা ব্যবহার, লালন রবীন্দ্র নজরুল এসবের গনহারে চর্চা এবং তাদের প্রতিপক্ষ পশ্চিমা সাংস্কৃতিক জনগন যাদের বুঝা যায় অ্যানিমে দেখা, গেম খেলা, musical.ly দিয়ে গানের তালে নাচার আধুনিক ভিডিও তৈরি, কমিকস সংগ্রহ ও পড়া, ফেসবুক ব্লগ টুইটারে এসব নিয়ে বিতর্ক করা মন্তব্য করা এসবের মাধ্যমে।
প্রথমে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টা সেটা হচ্ছে যে বাংলাভাষি নাস্তিক সমাজে আন্তর্জাতিক রাজনীতির capitalist বা ধনতান্ত্রিক খাও দাও ফুর্তি করো উপভোগ নীতি vs communist বা কেউ খাবে খাবেনা তা হবেনা, জোর করে সবাইকে সমান করাতে হবে নীতির লড়াইটা বড় রকমে দেখা যায়। অন্যান্য নাস্তিক সমাজের হিসাবের তুলনায় এখানে capitalist communist অনুপাতটা বেশিমাত্রায় evenly spread বলে হয়তো এরকম। এর সাথে জড়িত আছে বাঙালি সংস্কৃতির চর্চা মানে কি কি সংস্কৃতি বাঙালি হবে এবং বাঙালি হবেনা তা নিয়ে চলমান লড়াইটা ও তার পক্ষরা মানে belligerent রা। বাঙালি সাংস্কৃতিক গ্রুপগুলোকে বুঝা যায় তাদের তবলা, একতারা ব্যবহার, লালন রবীন্দ্র নজরুল এসবের গনহারে চর্চা এবং তাদের প্রতিপক্ষ পশ্চিমা সাংস্কৃতিক জনগন যাদের বুঝা যায় অ্যানিমে দেখা, গেম খেলা, musical.ly দিয়ে গানের তালে নাচার আধুনিক ভিডিও তৈরি, কমিকস সংগ্রহ ও পড়া, ফেসবুক ব্লগ টুইটারে এসব নিয়ে বিতর্ক করা মন্তব্য করা এসবের মাধ্যমে।
Friday, June 22, 2018
কুরান কি আসলেই অবিকৃতভাবে সংরক্ষন করা হয়েছিলো? (২০১৮ এর আপডেট গবেষনা প্রমানসহ)
original written by abdullah gondal https://www.facebook.com/permalink.php?story_fbid=2161303897433427&id=100006615126777
translated in bangla
সানাঈ পান্ডুলিপিতে দেখা যায় যে কুরানে সম্পাদনা করা হয়েছিলো। এখানে নিচের দিকে প্রদর্শিত লিখনে এখনো আদি আয়াতগুলো দেখা যায়। দাবি করা হয় এটাই খলিফা উসমানের ছড়ানো উসমানি কুরান। সে অন্যগুলো কেনো পুড়িয়েছিলো?
https://www.facebook.com/permalink.php?story_fbid=2044827979081020&id=100006615126777
সামারখন্ড এর পান্ডুলিপি দেখায় অক্ষরগত পার্থক্য যেখানে শব্দসমূহ হারিয়ে গেছে
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2043793239184494&id=100006615126777
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2043795415850943&id=100006615126777
বহু আয়াত হারিয়ে যাওয়ার দাবি আছে। যার একটা হচ্ছে স্তনদুধ পানের আয়াত, যেটা নিয়ে একাধিক হাদিসে বলা আছে
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2002138860016599&id=100006615126777
বহু আয়াত সংক্ষেপ করা হয়েছে
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2007296466167505&id=100006615126777
কুরান ২:২৩৮ এ একটা শব্দ সম্পাদিত ও নেই কেনো? এটা বহু জায়গাতে বর্নীত হয়েছে। নিচের হাদিসগুলো দেখুন
https://sunnah.com/muslim/5/263
https://sunnah.com/abudawud/2/20
https://sunnah.com/malik/8/27
https://sunnah.com/nasai/5/25
কিতাব আল মাসাহিফ, সুয়ুতিস ইতকান, আল ফিহরিস্টে বর্নীত সংস্করনগুলো যদি পড়েন তাহলে লেজেগোবর হয়ে যাবে বহু জায়গাতে
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2037142549849563&id=100006615126777
মুহাম্মাদ নিজে আয়াত ভুলে যেতো
https://sunnah.com/muslim/6/266
https://sunnah.com/bukhari/80/32
https://sunnah.com/bukhari/52/19
নবীর ভুল কেউ ধরিয়ে দিলে তখনই আয়াতে সম্পাদনা হতো, এই হাদিসে দেখুন
https://sunnah.com/urn/42730
আল্লাহ কেনো রোজার সময় নিয়ে দ্বিধাতে ছিলো, কেনো তিনি আরেকটা শব্দ পরবর্তীতে যুক্ত করলো?
https://sunnah.com/urn/41930
সাহাবাদের মধ্যে সূরা শামস নিয়ে মতভেদ ছিলো। এখানে আমরা একটা আয়াত সম্পর্কে জানতে পারি যা বিতর্কিত ও বর্তমানে পাওয়া যায়না
https://sunnah.com/bukhari/62/90
https://sunnah.com/bukhari/62/89
https://sunnah.com/bukhari/79/52
একাধিক লিখিত সংস্করন আছে কুরানের ও সেগুলোর পার্থক্য এমন যে পুরো শব্দই হারিয়ে যায়, অক্ষর যুক্ত করা হয়, একবচনকে বহুবচন করা হয় ইত্যাদি
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2059751447588673&id=100006615126777
শয়তানি আয়াতের ঘটনা মুহাম্মাদের যেকোনো কথার উপরে সন্দেহ ছুড়ে দেয় বিশেষ করে যখন কুরানের ২২:৫২ তে স্বীকার করা হয় যে শয়তান নবী রাসুলদেরকে প্রতারিত করতে পারে আল্লাহর বানী কোনটি সে ব্যাপারে।
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2055549591342192&id=100006615126777&_rdr
Monday, June 4, 2018
বিক্ষিপ্ত চিন্তাসমূহ
rationalwiki নামক একটা উইকি আছে যেটাতে rational বা বাস্তববাদি চিন্তাধারার লেখা প্রকাশ ও বিভিন্নধরনের কুসংস্কার ও মিথ্যাচার ধরা হয় বলে দাবি করা হয়। আমার training এর একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ এখানে কেটেছিলো ও পশ্চিমের ষড়যন্ত্র তত্ত্বপ্রচারক কমিউনিটির ষড়যন্ত্রগুলো সম্পর্কে ভালো রকমের ধারনা পাই এখান থেকেই। উদাহরন: ভ্যাকসিন করিয়ে রোগ থেকে রক্ষা করার হাত থেকে মানুষকে সরাতে ভ্যাকসিনের বিরুদ্ধে ভ্যাকসিন ভুয়া হবার মিথ্যাচার রটানো ও তা বিজ্ঞান বলে দাবি করা।
tor baap পেজ এবং sahil mahmood khan প্রফাইলের পোস্টের দৌড় দেখে মনে পড়ে গেলো চেলিব্রেটিদের স্ট্যাটাস সমগ্র নামক পেজটার কথা, নাস্তিক ব্লগার নীলয় নীল পরিচালিত জনবিচ্ছিন্ন কিন্তু সেলিব্রেটি দাবিদারদের পোস্ট নিয়ে গঠিত আরেক জনবিচ্ছিন্ন পেজের পরিহাস/irony টা। এই irony টা এতটা ঘটতো না যদি নাস্তিক ব্লগাররা war dialing এর প্রজেক্টে থাকতো। war dialing হচ্ছে বিভিন্ন পূর্বে-অজানা টেলিফোন নাম্বারে ডায়াল করার ব্যাপার এবং ইন্টারনেটের যুগে বিভিন্ন ইন্টারনেট লিংকে যাওয়ার ব্যাপারটাও এর মধ্যে পড়ে। চিন্তা করে দেখুন কেউ war dialing করে tor baap পেজ এর মতো জায়গা খুজে পেলো ও সেখান থেকে লোকজনের প্রফাইল ধরে ধরে নাস্তিকতা ও বিজ্ঞান প্রচারের কাজে গেলো।
অনলাইনে ব্লগের সময় থেকে নাস্তিকদের বিভিন্ন বড় ঘটনা যেমন প্রীতি ইমতিয়াজ প্রেম ফাস হবার ঘটনা, শাহজাহান বাচ্চুর হত্যা, শাহবাগের ঘটনা ও আরো অনেক বার দেখেছি যে অনলাইনে প্রবাসি বিএনপি কর্মীদের দেখেছি পোস্ট দিতে যে কিভাবে নাস্তিক ব্লগাররা আওয়ামি স্বৈরতন্ত্র সমর্থন করে গুম খুনের পক্ষে কথা বলেছে ও আজ তাদের নিজেদের উপরে গিয়ে লাগছে তার কামড়। নাস্তিক ব্লগাররা আসলেই আওয়ামি স্বৈরতন্ত্রের ষড়যন্ত্রের অংশ ও সমর্থক ছিলো কিনা এটার উপরে উত্তর লাগবে প্রচুর তথ্যপ্রমানসহ ও সাথে এটা প্রমান করতে হবে যে এই অনলাইন বিএনপি কর্মিগুলো যারা ইউরোপ ও নর্থ আমেরিকার বিভিন্ন দেশে অবস্থান করে শ্রম দিচ্ছে, তারা পশ্চিমা ইংলিশ মিডিয়াম সংস্কৃতির ছেলেমেয়েদের সাথে কতটা জড়িত আছে। এই ব্যাপারটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় ও ২০১৩ সালের শাহবাগ ঘটনার সময়ে বিএনপি কর্মীবাহিনিদের বড় উত্থান ও বাঙালি সাংস্কৃতিক চরমপন্থীদের আস্ফালনের সময়ে প্রথম চিন্তা করেছিলাম।
উদ্যম ও উৎসাহ শেষ হয়ে যাওয়া ও অনুভব না করাটা কি সাধারন প্রাকৃতিক নাকি এতে মনোচিকিতসার উপকরনসমূহ জড়িত হওয়া ছাড়া শেষ হবেনা ও তা কত পরিমানে লাগবে, তা একটা জানার বিষয়। মিত্র ও শত্রুপক্ষীয় আদর্শসমূহের বিভিন্ন অনুসারিদেরকে একটা সময়ে যেরকম আনন্দময়ি উৎসাহের সাথে তার আদর্শের চর্চা করতে দেখতাম প্রচারনা ও কর্মের মাধ্যমে, তার দৃশ্যমান হ্রাস দেখে চিন্তাটা মগজে আসলো।
Monday, May 28, 2018
উপদেশ সমগ্র
এই পোস্টে পাঠকদের জন্য চিন্তামূলক বিভিন্ন উপদেশ ও প্রশ্ন থাকবে
* এমনটা কি হওয়া সম্ভব যে কেউ শুধু বন্ধুত্ব ও সম্পর্করক্ষার স্বার্থে খরচ করবে, অন্যকোনো স্বার্থে না?
* এমনটা কি হওয়া সম্ভব যে কেউ শুধু বন্ধুত্ব ও সম্পর্করক্ষার স্বার্থে খরচ করবে, অন্যকোনো স্বার্থে না?
Monday, February 12, 2018
উৎসনির্দেশ প্রসঙ্গে
উৎসনির্দেশ হচ্ছে referencing এর বাংলা। কোনো কথা কাজ প্রভৃতি তথ্যের উৎস দেখানোর পদ্ধতি এটা। উৎসনির্দেশের পদ্ধতিতে গুরুত্বপূর্ণ শ্রেনিবিভাগ হচ্ছে মূখ্য ও গৌন উৎসনির্দেশ। কোনো নির্দেশের উৎসটি সে নিজে হলে সেটা মূখ্য ও উৎসটি বাইরের কেউ হলে তা গৌন। জিনিসটা সহজভাবে বুঝতে এভাবে দেখুন যে কারো দাবির পক্ষে কেউ যদি প্রমান হিসাবে বলে তার নিজের দাবিটিই প্রমান, সেটা মূখ্য উৎসনির্দেশ আর প্রমান হিসাবে বাইরের কোনো উৎস নিয়ে আসলে তা গৌন। লক্ষ্যনীয় যে ধর্মভিত্তিক ব্যবস্থা ও ধর্মগ্রন্থের উৎসনির্দেশ পদ্ধতিগুলো সবসময়ে মূখ্য যেমন কুরান বেদ এসবের প্রমান তাদের লেখা নিজে, ইসলাম সত্য কারন কুরানে লেখা আছে বলে, কুরানে লেখা আছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই তাই তাতে সন্দেহ নেই। গৌন উৎসনির্দেশে আবার ব্যাপার থাকে গৌন উৎসের সত্যতা যাচাই নিয়ে, আদালতের মিথ্যা সাক্ষ্য ব্যাপারগুলো দ্রষ্টব্য।
Monday, January 22, 2018
Wednesday, January 17, 2018
পুরাতন প্রতারনা
আপনারা কে কে আছেন যাদের মনে আছে samara jamil mckinley ও mark claydon mckinley দের?
ঘটনার সূচনা ২০১৩ এর সেপ্টেম্বারের দিকে। তখন অনলাইনে ছাগু vs নাস্তিক যুদ্ধ চরম পর্যায়ে, ১৩ এর শেষ ৩ মাস, নাস্তিকদের বিরুদ্ধে ক্ষমতায় গিয়ে সাইজ করার তর্জন তৎকালীন জামাত ও হিজবুতের, বহুঘটনা, সে আলাদা পোস্টের বিষয়। এমনসময়ে অনলাইনে হাজির হয় এই নামের দুইজন। তারা এসেই শুরু করে ধোলাই, যে ধোলাইয়ের পারফরম্যান্স তৎকালীন mussharraf hossen shoikot, মানে তৎকালীন আমার থেকে অনেক উপরে ছিলো এবং যেকোনো লড়াইতে samara ও mark এর আগমন মানেই ছাগুদের ভয়ংকর ও নিশ্চিত পরাজয় নিশ্চিত, যেসব জায়গাতে আমি নিজে লড়তে গিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়তাম, সেখানেও। দ্রুতই samara ও তার "স্বামী" mark রা তৎকালীন নাস্তিক কমিউনিটিতে জনপ্রিয় চরিত্রে পরিনত হয়, এমনকি খোদ Asif Mohiuddin তাদেরকে তার নজরে আনে। খুব আনন্দ মজা এবং যারা দেশে ছিলো, তাদের সামান্য আতংকের মধ্যে এই নিশ্চয়তা মনের ভেতরে থাকতো যে মরলেও লড়াই চালিয়ে যাবার মতো দুর্ধর্ষ সক্ষম কেউ থাকছে। এর মধ্যে সামারা একদিন পোস্ট দিলো যে সে ঢাকাতে আসবে তার বনানীর পারিবারিক আবাসে ও দেশি নাস্তিকরা আমন্ত্রিত for beers and burgers. তখন আমিসহ অনেকে এ নিয়ে উৎকন্ঠা দেখাই যে দেশে ছাগুদের বড় আস্ফালন, চাপাতি ও গ্রেনেড ঘুরছে। সামারা নিশ্চয়তা দেয় যে আমেরিকান নাগরিক ও পারিবারিক ইতিহাসবাবদ কড়া প্রটেকশনের। কিন্তু এরপরে বড় আঘাতটা পুরো নাস্তিক কমিউনিটিতে আসে যখন কিছু ধার্মিক ও নাস্তিকরা একজোট হয়ে সামারা-মার্ক দম্পতির ষড়যন্ত্র ফাস করে। মার্কের প্রফাইলে তার career এর "প্রমান" হিসাবে যত ছবি দেওয়া, সেগুলো সব মৃত এক সৈন্যের যে ইরাক যুদ্ধে মারা যায়, মার্ক ও সামারার যত দম্পতি ছবি তাদের প্রফাইলে, সবগুলো হচ্ছে raphael caders ও zuena caders নামক এক পুরো অসম্পর্কিত প্রফাইলের থেকে চুরি করে দেওয়া ছবি। এই জিনিস আমি তৎকালীন প্রফাইল দিয়ে ফাস করানোর পরে সামারা ডিএকটিভ করে, কিছুক্ষন পরে মার্ক তা করে। সে ঘটনার সাক্ষী Kodor Ali ওরফে Naraye Takbir, Taimul Islam ওরফে @taim tomopaha, Joyanta K Saha (সামুব্লগের পুরাতন যোদ্ধা), Juliyas Caesar ও আরো অনেকে।
সেই সামারা ও মার্ক ২০১৬ তে ফেরত আসে নাজিয়া ইউসুফ লেভিনসন ও জন লেভিনসন নামে।
তাদের লেখাতে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও রাজনীতির যে জ্ঞানের দৌড় দেখি, তা ভয়ংকর, astounding, elite amongst the elites, আমি কেবল ওরকম হতে পারার স্বপ্ন দেখি, তাদের জ্ঞান ও বুদ্ধি ও ধোলাই করার সক্ষমতার জন্য তারা বা তা (এক ব্যক্তি) আমার idol ছিলো ও এই ঘটনার পরেও আছে। কিন্তু আমার কথা হচ্ছে, যদি পরিচয় লুকিয়ে রাখতেই হয়, কেনো এরকম প্রতারনা, কেনো এত নাটক? ভুয়া নাম দিয়ে সে নামে আটক থেকে এক নামে চালিয়ে গেলেই হয় আর যদি এক নামে চালানো সম্ভব না হয়, সাকা যেভাবে নিজে থেকে ফাস করে যে সে সৈকত, সেরকমটা কেনো করেনা নাজিয়া ওরফে সামারা?
প্রতারনার প্রমান যেসব লিংকে তা পড়ে দেখুন http://archive.is/7sldahttps://www.facebook.com/oghotonghoton/posts/502304383220804https://www.facebook.com/oghotonghoton/posts/496429903808252
উপরের পোস্টগুলোতে গিয়ে দেখুন যে samara ও mark নামে যাদের মেনশন করেছে, তাদের উপরে মাউস নিলে কার প্রফাইল আসে
উপরের পোস্টগুলোতে গিয়ে দেখুন যে samara ও mark নামে যাদের মেনশন করেছে, তাদের উপরে মাউস নিলে কার প্রফাইল আসে
http://rushokarim.blogspot.com/2014/01/blog-post.html এই পোস্টে দেখুন নাজিয়া লেভিনসনের URL মানে লিংক দেওয়া, কিন্তু নাম হলো সামারার ও মাঝপথে সামারার বদলকৃত নামের। পোস্টটি ২০১৪ সালের জানুযারিতে করা। রহস্যটা খেয়াল করুন।
Tuesday, January 16, 2018
নাম প্রসঙ্গে
মানবজাতি যত ভাষা শুরু থেকে আজ পর্যন্ত ব্যবহার করেছে তা তার নিজের মগজে তৈরিকৃত, যেখানে সে সিদ্ধান্ত নেয় যে অমুককে তমুক শব্দ ও বাক্য দিয়ে উপস্থাপন করবে। এভাবে সত্তার নামকরনের পদ্ধতিকে nomenclature বলে। একই সত্তাকে বিভিন্ন ভাষাতে বিভিন্ন নামে ডাকা হয়। কথাগুলোর মর্ম হচ্ছে যে ধার্মিকরা যে দাবি করে যে ধর্মীয় নাম, নাম বদলায় না কেনো নাস্তিকরা, তার বড় কারনের মধ্যে আইনি জটিলতার বাইরে এই nomenclature (নোমেনক্লেচার) গত ব্যাপারটিও আছে যেখানে পানি=জল, জামাল=উট হয়। ফলে জামাল মিয়া মানে ১০০ উট।
এমডি তথা মুহাম্মাদ শব্দটির অনুবাদ হচ্ছে "প্রশংসিত" বাংলাতে, ইংলিশে praised. শব্দটির বুৎপত্তি বা etymology (এটিমোলজি) হচ্ছে হামিদ থেকে, হামিদ মানে "প্রশংসা করা" to praise.
ইমরান, কুরানের ৩ নাম্বার সূরার নাম, বাংলা অর্থ হচ্ছে সমৃদ্ধি, ইংলিশে prosperity.
২০১২ সালের নাস্তিক কমিউনিটিতে নামের পরিবর্তন নিয়ে ধার্মিকদের গালিসহকারে হামলা ঠেকানোর দিনের বিতর্কে তৈরিকৃত জবাব।
Wednesday, January 3, 2018
পর্দা প্রসঙ্গে
ইসলামধর্মের প্রচারকরা প্রচারনার পক্ষে কারন হিসাবে পর্দাকে উপস্থাপন করে, যদিও ধর্মটিই আদৌ সত্য নাকি মিথ্যা সে প্রশ্ন তুললে সেখান থেকে তাদের পলায়ন অথবা গালি+অস্ত্র হামলা দ্রুত শুরু হয়ে যায়। পর্দার বিষয়তে ইসলামে পুরুষদের জন্য সতর ঢাকার যে নিয়ম, তাতে পুরুষদের যৌন উদ্রেককারী অংশগুলো আদৌ ঢাকেনা ও সে সতর ঢাকা পুরুষ দেখলে নারীরা যৌনাবেগ অনুভব করা শুরু করে। পর্দার পুরো নিয়মটাতে কেবল নারীর কিছু অংশ ঢাকানোর এক ব্যর্থ চেষ্টা করা হয়েছে যা আদৌ কাজ করেনা কারন বস্তাতে বন্দিকে দেখলে মগজের ভেতরে "সে নারী" উত্তরটা চলে আসলেই পুরুষের যৌনতা জাগে যা যৌনবিজ্ঞানের গবেষনাতে বের হয়েছে। যৌনবিজ্ঞান অনুযায়ী নারী সন্তান হওয়ানো X chromosome পুরুষের বীর্য়ে যা তাই থাকছে কিন্তু পুরুষ সন্তান হওয়ানো Y chromosome কমছে প্রতিবার যখন তারা বীর্য বের করছে, যে পদ্ধতিতে হোক। ফলে এমন জগত তৈরি হয়ে যাচ্ছে যেখানে নারী সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে যাচ্ছে ও পুরুষ বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। সেরকম নারীগরিষ্ঠ জগতে সতর ঢাকা পুরুষ গনধর্ষিত হবার মতো পরিবেশ হবে ইসলামি পর্দাপ্রথাতে। ইসলামি প্রচারকরা যদি এই গবেষনাগুলোকে ভুল প্রমান করতে না পেরে হা হা হে হে গালিগালাজ ও হামলার চেষ্টা করে, তাহলে তারা সন্ত্রাসি প্রমানিত।
Friday, December 29, 2017
মিথ্যাচার প্রসঙ্গে
কেউ কোনো ব্যাপারে এক সময়ে এক কথা বলছে, অন্যসময়ে আরেক কথা তথা মিথ্যাচার/বিদ্রোহ করছে, আঞ্চলিক ভাষাতে পল্টিবাজি, সেটাতে "মিথ্যুক/বিদ্রোহিটি সবসময়ে মিথ্যা ও বিদ্রোহ করার পরিকল্পনা করে এসেছিলো।" এর বিপরীতে এই সম্ভাবনাটিও প্রযোজ্য হতে পারে যে সে আসলে মিথ্যুক ছিলোনা, আগে যে কথাটা বলেছিলো সেটা সেসময়ে সত্য ছিলো, পরবর্তীতে যখন উল্টা কথা বলা হয়েছে, তখন সে উল্টা কথাটি সত্য হবার মতো পরিবেশ হয়েছে।
Thursday, December 28, 2017
মনোজাগতিক পর্যায় প্রসঙ্গে
মনোজগতে মনের গভীরতা ও অগভীরতাভিত্তিক চিন্তাকে id, ego ও superego তে শ্রেনিবিভাগ করা হয় যেখানে id হচ্ছে সবচেয়ে গভীর ও প্রাথমিক চিন্তাগুলো যা জীবের চরম আবেগিয় পর্যায়তে চলে আসে, ego ও superego হচ্ছে পরিবেশ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে কোনোকিছু চিন্তাতে আনা ও সে চিন্তা আনার কারনত্ব ও বৈধতা আনার জায়গা। জিনিসটার উদাহরন হচ্ছে যে কোনো নির্দিষ্ট ঘটনাতে, একই ঘটনাতে একজন দ্রুতগতিতে ভয়ংকরভাবে খুশি হয়, অপরজন রেগে গালিগালাজ করে, লক্ষ্য করবেন যে গালিগালাজ ও খুশি উভয়ের প্রকাশভঙ্গি তার পরিবেশের ভিত্তিতে পরিবর্তন হয় ভাষা ও প্রকাশভঙ্গিতে কিন্তু উভয়ই আসে অনেক দ্রুত, একরকম স্বয়ংক্রিয়ভাবে। কোনো চিন্তা ও কাজ যখন id এ কড়াভাবে ঢুকে পড়ে কেবল তখন ঐ কাজটি এভাবে করা সম্ভব এবং সামরিক প্রশিক্ষনের বিভিন্ন খাতে এরকমটাই করানোর চেষ্টা করা হয়, যুদ্ধমুখী আক্রমনাত্মক ট্রেনিঙে রাগসহ/ছাড়া খুন করতে পারা যেটা সৈন্যদের দেয়, স্বল্পতম চিন্তাতে, যুদ্ধমুখী চিন্তামূলক ট্রেনিঙে সর্বোচ্চ কার্যকরী উপায় বের করার চিন্তা মননের id এ ঢুকানো, যেটা জেনারেলদের দেয়। আরো জানতে পারবেন pleasure principle, conscious, subconscious, unconscious এর ব্যাপারে বিশ্বকোষীয় লেখাগুলো পড়লে।
Wednesday, December 27, 2017
ড্রাগন ঘটনা
মিমের জগতে মানুষকে সে হোক নিজেকে বা অন্যকে ড্রাগন হিসাবে উল্লেখ করাটা খুব ভয়ংকর জনপ্রিয় একটা মিম এবং সেটা ফেসবুক আবিষ্কারের আগের সময় থেকে।
ঘটনার সূচনা অক্টোবার ১৭, ২০০৩। সেসময়ে ব্লগজগতে জনপ্রিয় ছিলো ব্লগস্পট ও লাইভজরনাল নামক দুইটা সাইট, ওয়ার্ডপ্রেস তখনো বেটা পরীক্ষনের পর্যায়ে বলে। লাইভজরনালে Starblade নামক এক লেখক ধর্মের ভুয়ামি ধরানোমূলক একটা পোস্ট দিলো, সে পোস্টে সে কি লিখেছিলো তা নিচের লিংকে গেলে পুরোটা ইংলিশে পাবেন।
সারমর্ম হচ্ছে সে দেখিয়েছিলো যে যেহেতু গড/আল্লাহ বিজ্ঞান দিয়ে প্রমান ও অপ্রমান করা যায়না, সেহেতু নিজেকে আধ্যাত্মিকভাবে ড্রাগন মনে করাটা বা অন্য যেকোনোকিছু মনে করাটাও একইরকম এবং ধার্মিকদের যুক্তি "প্রমান করা যায়না বলেই তা মিথ্যা হয়ে যায়না" টা স্টারব্লেডের "নিজেকে ড্রাগন মনে করাটা" এর জন্যও প্রযোজ্য। সেই পোস্টে যে বিতর্কযুদ্ধ লেগেছিলো, সেখানে ছাগুদেরকে তৎকালিন নাস্তিকরা কচুকাটা করে একটি মিম লাইন দিয়ে, তা হচ্ছে
fuck you, i am a dragon.
পোস্টের তারিখ দেখুন। এবার "এরা মানুষ নয়, এরা ড্রাগন" নামক ২০১৭ মিমটা যেটা তৈরি হয়েছে একজনকে "ফেরেশতারা ও বোরাক আসলে কি" প্রশ্নের জবাবের উত্তরকে স্ক্রিনশট করে, সেটার সাথে তুলনা করে দেখুন।
Sunday, December 17, 2017
ভাষা প্রসঙ্গে-২
ভাষার জগতে ভাষার ব্যবহারপদ্ধতি তথা ব্যকরনে স্থিততাবাদি যাদের মিম করে বলা হয় grammar nazi তাদের সাথে ব্যকরনে পরিবর্তনবাদি যারা ভাষার বিবর্তনের পক্ষে ও তা চায়, তাদের কড়া যুদ্ধ ছিলো ও আছে। স্থিততাবাদিদের যুক্তি হচ্ছে যে স্টার ট্রেক ও ম্যাস ইফেক্টের সিরিজে যেরকমটি দেখাতো কয়েক পর্বে যে কোনো কোনো প্রজাতি অতিদ্রুতগতিতে তাদের ভাষা পরিবর্তন করতো বলে মানুষসহ অন্যান্য জাতির পক্ষে তাদের সাথে যোগাযোগ অনেক কঠিন হতো, সেরকম দৃশ্য বাস্তবের মানবজাতির মধ্যে এড়ানোর জন্য ভাষা নিয়ন্ত্রনের এক কেন্দ্রীয় আধিপত্য বা সরকার দরকার যে নতুন কোনো পরিবর্তন আনবার একমাত্র অধিকার রাখবে ভাষার উপরে। পরিবর্তনবাদিদের যুক্তি হচ্ছে এই পদ্ধতি অনেক ধীর। তবে এগুলোই দুইপক্ষের একমাত্র যুক্তি নয়, সংখ্যাগরিষ্ঠতার দিক থেকে ব্যবহৃত যুক্তি, অন্যান্যর তুলনায়। মানুষ ভাষা আবিষ্কারের পরে মনের ভাব পরিবহন অনেকাংশে সহজ হয় কিন্তু সেখানে সমস্যা থেকে যায় যে অপরজনকে বারবার এক কথা বলে মনে করিয়ে রাখাটা সমস্যা, বিশেষ করে যদি যিনি কথা মনে করিয়ে দিতে চায়, তিনি যদি জীবিত না থাকে। এজন্য মানবজাতি বুদ্ধিতে বের করলো ছবি চিহ্ন দেখানোর মাধ্যমে মনের ভাব বিনিময় ও সে ছবি চিহ্ন কোনো জায়গাতে তৈরি করে সংরক্ষন করে রাখা। তার ফলে তৈরি হলো প্রথম Writing system যার অংশ হলোHieroglyphics Sign language । তারপরে চিহ্ন লিখার মাধ্যম হিসাবে বিভিন্ন জিনিসের উপরে পরীক্ষা চালানোর ফলে Egyptian Civilization এর লোকরা আবিষ্কার করলো যে Papyrus গাছের রস ও ছাল থেকে কেমন একটা জিনিস তৈরি করা যায় যার উপরে চিহ্ন সহজে দেওয়া যায়, মুছে না সহজে আবার খুব কঠিন না মুছা। তৈরি হলো প্রথম paper. তার পরে মানুষ দেখলো যে বারবার হাতে করে লিখা ও খোদাই করা একটা কঠিন কাজ, চেষ্টা চললো কাজটা স্বয়ংকৃয় করার, Johannes Gutenberg আবিষ্কার করে ফেললো Printing Press, ফলে শিক্ষনজগতের বড় বিস্তার ঘটলো স্বয়ংকৃয় ছাপাতে গনহারে বই বিস্তারের ফলে। বিংশ শতাব্দীর দিকে যখন কম্পিউটার আবিষ্কার হলো, প্রথম কম্পিউটারগুলোতে প্রতিটা প্রোগ্রাম নিজে কোড করে প্রতিবার চালাতে হতো, কোনো সেভ করার অপশন না থাকায় বারবার কোড করতে হতো, চরম ঝামেলা, কম্পিউটার সাইন্সের ছেলেমেয়েরা ভালোমত বুঝে সেভ করতে না পারার ঝামেলা। Jon von Neumann আবিষ্কার করলো Automata theory এর সে অংশগুলো যেগুলোর ফলে কম্পিউটারে তথ্য সংরক্ষন এবং স্বয়ংকৃয় পুনর্লিপি তথা copying সম্ভব হলো। সেটা এবং Ascii System নামক কোড সিসটেম যেখানে কমপিউটারের বাইনারি সিগনালকে ইংলিশ লেখার অক্ষরে প্রদর্শনী করা যায় স্কৃনে, এই দুইটার ফলে ভাষা ও প্রকাশনের খাত অনেক বড় একটা বিস্তার লাভ করলো যার ফলে আজকে আমরা মেমোরি কার্ডে টেরাবাইট পরিমান লেখা জমা করে রাখতে পারছি ও প্রয়োজনে চালু করতে পারছি যেকোনো কমপিউটারে।
এই লেখাতে দেখানো হয়েছে যে ভাষাতে বিবর্তনের পক্ষীয় হলে যে বোধগম্য কথ্য ভাষা অবোধগম্যতে পরিনত হতে পারে তা এবং তার সাথে দেখানো হয়েছে যে তথ্যকে সবচেয়ে সংক্ষেপে সবচেয়ে বেশি প্রচার করানোর জন্য যতরকমের প্রচারনা ও সংরক্ষনচেষ্টা নেওয়া হয়েছে।
এই লেখাতে দেখানো হয়েছে যে ভাষাতে বিবর্তনের পক্ষীয় হলে যে বোধগম্য কথ্য ভাষা অবোধগম্যতে পরিনত হতে পারে তা এবং তার সাথে দেখানো হয়েছে যে তথ্যকে সবচেয়ে সংক্ষেপে সবচেয়ে বেশি প্রচার করানোর জন্য যতরকমের প্রচারনা ও সংরক্ষনচেষ্টা নেওয়া হয়েছে।
Friday, December 15, 2017
কান্নাকাটি প্রসঙ্গে
প্লেয়ার: আপনি ও অনেক নাস্তিক ব্লগাররা প্রায়ই বিভিন্ন ব্যাপারকে নালিশ করার কিছু একটা সাজিয়ে সেটা নিয়ে অনেক কান্নাকাটি জুড়েন, অতীতের বিভিন্ন ট্র্যাজেডি বারবার ডেকে নিয়ে আসেন পোস্টে কমেন্টে, জিনিসটা কেমন জানি, কিছুটা মেয়েমানুষী গন্ধ পাই, মেয়েলী ছিচকাদুনি।
আমি: ব্যাপার নিয়ে কান্নাকাটি বা মেয়েলিবাজি যেটা আপনি বলছেন, এখানে ব্যাপার হচ্ছে একেকজনের আদর্শ একেকরকম এবং কারোরটা কারোর সাথে ১০০% মিলে না। এখন আদর্শিক বৈপরীত্য, সেটা ব্যক্তির সাথে ব্যক্তির হোক বা নন-ব্যক্তি সত্তা যেমন রাষ্ট্র, সমাজ, গ্রুপ প্রভৃতির হোক, সেখানে সেটা পেলে সেটা নিয়ে নালিশ জুড়া বা আপনার ভাষায় বললে মেয়েলিবাজি যেটা, সেটা অন্যরা কিজন্য করে, সেটা তাদের মগজের ভেতরে এবং তারা বলতে পারবে সঠিকটা, আমি আমারটা বলি, আমি অতীত ঘটনা যা নিয়ে আসি, সেখানে আমি বলে দেই যে এই নির্দিষ্ট স্মৃতিটার মতো অবস্থা তৈরি করতে হবে এবং ওই নির্দিষ্ট স্মৃতির মতো অবস্থা তৈরি করা যাবেনা, মানে replication factor এ যা আসে আমার দিক থেকে। আপনি যদি সার্বিকভাবে মেয়েলিবাজি অর্থাৎ যেকোনো ব্যাপার পেলেই সেটা নিয়ে নাকিকান্না, নালিশ করা, পোস্ট হ্যাশট্যাগ কমেন্ট চিতকার স্লোগান দিয়ে তার বিরুদ্ধে বলা এই পুরো ব্যাপারটার কথা যদি বলতে চান, ব্যাপারটা হচ্ছে কোনো ব্যাপার পেলে সেটার প্রতি একটা প্রতিকৃয়া জানানোর আদর্শিক ধারা, যেটাকে বলে প্রতিকৃয়াশীলতা, reactionary. আপনার আদর্শ আমি যতটুকু জানলাম এতদিনে, তাতে আপনি তার উল্টাপথের অর্থাৎ tolerancy এর আদর্শিক ধারার চর্চা করেন অর্থাৎ সহনশীলতার, যেখানে আপনি মনে কোনো ব্যাপারের প্রতি কিছু অনুভব করেন না অথবা করলেও সেটা প্রকাশ করেন না, আপনি গেম, অ্যানিমে, ফাস্টফুড, ট্রিপ, ড্রিংক, ড্যান্স, স্পোর্টস প্রভৃতি নিয়ে পড়ে থাকেন। এটা হচ্ছে সার্বিকভাবে reactionary vs tolerancy এর আদর্শিক রাজনীতির একটা ভূমিকাতথ্য। আর সার্বিকভাবে না করে আংশিক নির্বাচনী ভাবে যদি বলতে চান, আমি যেরকম নির্দিষ্ট কিছু ব্যাপারে কথা বলি, normative statement অর্থাৎ কি করা উচিত উচিত না, এরকম বক্তব্য দেই, আরেকজন তার আদর্শের জায়গা থেকে সেটা করে এজন্য এরকম দেখবেন যে আমার মেয়েলিবাজির সাথে তার মেয়েলিবাজি মিলবে না। একই ব্যাপারে সে হাউমাউ কান্না চিল্লাচ্ছে, আমি তাতে চুপ করে থাকছি বা হাসছি।
প্লেয়ার: বুঝলাম। কিন্তু প্রায় সবাই যদি আপনাদের অনেকের মতো সারাক্ষন মেয়েলিবাজি করে, তাহলে কি জীবনের অন্যসব কাজ বন্ধ হয়ে যাবেনা?
আমি: এটা আমার আদর্শের দিক থেকে বড় ব্যাপার এবং এখানে যে ব্যাপারটা কাজ করছে, তা ঐ আদর্শিক ভিন্নতাটাই। দিনে গড়ে ৫ ঘন্টা গেম খেলে আপনার সাথে চ্যাট কিংবা বাস্তবে দেখা করে এসব বলা, তারপরে সেটা থেকে বা তা না থেকে পোস্টের বিষয় তৈরি করা কিংবা অন্যকিছু করা, সেটা আমার আদর্শ, যা আমার মানসিক অবস্থার ফল।
আমি: ব্যাপার নিয়ে কান্নাকাটি বা মেয়েলিবাজি যেটা আপনি বলছেন, এখানে ব্যাপার হচ্ছে একেকজনের আদর্শ একেকরকম এবং কারোরটা কারোর সাথে ১০০% মিলে না। এখন আদর্শিক বৈপরীত্য, সেটা ব্যক্তির সাথে ব্যক্তির হোক বা নন-ব্যক্তি সত্তা যেমন রাষ্ট্র, সমাজ, গ্রুপ প্রভৃতির হোক, সেখানে সেটা পেলে সেটা নিয়ে নালিশ জুড়া বা আপনার ভাষায় বললে মেয়েলিবাজি যেটা, সেটা অন্যরা কিজন্য করে, সেটা তাদের মগজের ভেতরে এবং তারা বলতে পারবে সঠিকটা, আমি আমারটা বলি, আমি অতীত ঘটনা যা নিয়ে আসি, সেখানে আমি বলে দেই যে এই নির্দিষ্ট স্মৃতিটার মতো অবস্থা তৈরি করতে হবে এবং ওই নির্দিষ্ট স্মৃতির মতো অবস্থা তৈরি করা যাবেনা, মানে replication factor এ যা আসে আমার দিক থেকে। আপনি যদি সার্বিকভাবে মেয়েলিবাজি অর্থাৎ যেকোনো ব্যাপার পেলেই সেটা নিয়ে নাকিকান্না, নালিশ করা, পোস্ট হ্যাশট্যাগ কমেন্ট চিতকার স্লোগান দিয়ে তার বিরুদ্ধে বলা এই পুরো ব্যাপারটার কথা যদি বলতে চান, ব্যাপারটা হচ্ছে কোনো ব্যাপার পেলে সেটার প্রতি একটা প্রতিকৃয়া জানানোর আদর্শিক ধারা, যেটাকে বলে প্রতিকৃয়াশীলতা, reactionary. আপনার আদর্শ আমি যতটুকু জানলাম এতদিনে, তাতে আপনি তার উল্টাপথের অর্থাৎ tolerancy এর আদর্শিক ধারার চর্চা করেন অর্থাৎ সহনশীলতার, যেখানে আপনি মনে কোনো ব্যাপারের প্রতি কিছু অনুভব করেন না অথবা করলেও সেটা প্রকাশ করেন না, আপনি গেম, অ্যানিমে, ফাস্টফুড, ট্রিপ, ড্রিংক, ড্যান্স, স্পোর্টস প্রভৃতি নিয়ে পড়ে থাকেন। এটা হচ্ছে সার্বিকভাবে reactionary vs tolerancy এর আদর্শিক রাজনীতির একটা ভূমিকাতথ্য। আর সার্বিকভাবে না করে আংশিক নির্বাচনী ভাবে যদি বলতে চান, আমি যেরকম নির্দিষ্ট কিছু ব্যাপারে কথা বলি, normative statement অর্থাৎ কি করা উচিত উচিত না, এরকম বক্তব্য দেই, আরেকজন তার আদর্শের জায়গা থেকে সেটা করে এজন্য এরকম দেখবেন যে আমার মেয়েলিবাজির সাথে তার মেয়েলিবাজি মিলবে না। একই ব্যাপারে সে হাউমাউ কান্না চিল্লাচ্ছে, আমি তাতে চুপ করে থাকছি বা হাসছি।
প্লেয়ার: বুঝলাম। কিন্তু প্রায় সবাই যদি আপনাদের অনেকের মতো সারাক্ষন মেয়েলিবাজি করে, তাহলে কি জীবনের অন্যসব কাজ বন্ধ হয়ে যাবেনা?
আমি: এটা আমার আদর্শের দিক থেকে বড় ব্যাপার এবং এখানে যে ব্যাপারটা কাজ করছে, তা ঐ আদর্শিক ভিন্নতাটাই। দিনে গড়ে ৫ ঘন্টা গেম খেলে আপনার সাথে চ্যাট কিংবা বাস্তবে দেখা করে এসব বলা, তারপরে সেটা থেকে বা তা না থেকে পোস্টের বিষয় তৈরি করা কিংবা অন্যকিছু করা, সেটা আমার আদর্শ, যা আমার মানসিক অবস্থার ফল।
প্যারাডকসিকাল সাজিদ বই লিংক
অবশেষে নিল নিমো পারসে। নাস্তিক কমিউনিটির মাঝে ২০১৪ তে আসা, এসেই একধাক্কায় আমার পাওয়ার লেভেলের কাছে আসা, তারপরে দেখানো যে আমার পাওয়ার লেভেলের চেয়েও বেশি তারটা, তার পাওয়ার লেভেলের উৎস চ্যাটে বলার পরে আমাকে মহা-মহা আনন্দিত করা, সেই নিল নিমো, প্যারা সাজিদকে ছবি তুলে আপলোড করে দিয়েছে।
https://drive.google.com/file/d/0B6vWsXqT8m7KXzNOTVoyN1poblE/view
https://drive.google.com/file/d/0B6vWsXqT8m7KXzNOTVoyN1poblE/view
Sunday, December 10, 2017
সাহিত্য প্রসঙ্গে
চিত্র, শব্দ তথা ইন্দ্রিয়মাধ্যমে অনুভূতি তৈরির মাধ্যমে নির্দিষ্ট কিছু আবেগ ও চেতনা তৈরির পদ্ধতির সমষ্টিকে সাহিত্য/কলা বলে। art এর বাংলা। বিশ্বের প্রথম কলা থেকে শুরু করে সাহিত্যের মাধ্যমে বিভিন্ন বিজ্ঞান, দর্শন, ধর্মীয়, জীবন জ্ঞান ছড়ানোর ব্যাপারটি বিদ্যমান আছে এবং অর্থধ্যায়নের (hermeneutics) বিষয়ে এগুলো গবেষনা করা হয়। উদাহরন: deus ex নামক গেমে বিদ্যমান অধর্মীয়, বৈজ্ঞানিক তথ্যগুলো, কিভাবে সেখানে রাজনীতি ও উত্তরমানবতাবাদ নিয়ে প্রচারনা হয়েছে।
সাহিত্যের বিভিন্ন ধারা মননের উপরে feedback loop করে এভাবে যে একটা নির্দিষ্ট মানসিকতা থেকে নির্দিষ্ট সাহিত্য (লেখা, ছবি, গেম, অ্যানিমে, মুভি) তৈরি হয়, সেটা আবার সে মানসিকতাকে হয় তৈরিতে নয় ধ্বংসতে সাহায্য করে।
সাহিত্যের বিভিন্ন ধারা মননের উপরে feedback loop করে এভাবে যে একটা নির্দিষ্ট মানসিকতা থেকে নির্দিষ্ট সাহিত্য (লেখা, ছবি, গেম, অ্যানিমে, মুভি) তৈরি হয়, সেটা আবার সে মানসিকতাকে হয় তৈরিতে নয় ধ্বংসতে সাহায্য করে।
Thursday, December 7, 2017
পার্টনার প্রসঙ্গে
এটা ২০১৩ সালে আমার ফেসবুক প্রফাইল, যার নাম ব্লগের নামে ছিলো, সেটাতে লিখেছিলাম। আজকে তা লেখা হলো স্মৃতি থেকে যতটা সম্ভব।
নাস্তিক কমিউনিটিতে কে কিরকম পার্টনার চায় যৌনভিত্তিক, তা নিয়ে এই ইভেন্টে বিভিন্নজনের এন্ট্রির পাশে আমার এই এন্ট্রিটি।
অবশ্যই নাস্তিক চাই কারন নামাজ, পূজা, চার্চ প্রে যেটাই হোক, সেটা প্রমান ছাড়া অনুভূতি, বিশ্বাসের ভিত্তিতে মানানো কোনো পার্টনার চাইনা এবং এ নিয়ে দাম্পত্য যুদ্ধগুলোও চাইনা।
নাস্তিক পার্টনারের অন্যান্য আদর্শ কি কি হবে, তার লেখা অনেক লম্বা হবে, এখন যা মনে পড়ছে, ততটুকুই লিখলাম। পার্টনারকে গেম ও অ্যানিমের কড়া ফ্যান হতে হবে, এরকম যে সে গেম খেলবে, অ্যানিমে দেখবে এবং মাঝেমধ্যে তাদের সম্পর্কিত বিভিন্ন background story তাদের উইকিতে পড়বে আর সেটা আমাকে দেখাবে এবং আনন্দের সাথে। তাকে নিয়ে বিভিন্ন কমিকনে ঘুরতে যাওয়া যাবে, তার মুখের ভাষাহবে গালিহীন আঞ্চলিকতা চিবানোহীন formal english এবং আধুনিক ঘরানার পোশাক ও চেহারা, তাকে নিয়ে কমিকনে হাতে হাত ধরে, কোমরে হাত রেখে এবং দুই হাতের উপরে মানে কোলে তুলে বহন করতে চাই। তার সাথে গেম কনটেস্টে গেম খেলতে চাই 1 vs 1. বাইরে থাকা অবস্থায় তার বড় ফোন বা কম্পিউটার বের করে সেখানে কোনো anime/comic related trivia লোড করে দেখাবে, fireworks and laser light show তে ্আমার সাথে থাকবে এবং খুব বাঙ্গাল রোমান্টিক না আবার খুব ফরমাল না এরকম মধ্যম western romantic কথা ও আচরন করবে।
নাস্তিক কমিউনিটিতে কে কিরকম পার্টনার চায় যৌনভিত্তিক, তা নিয়ে এই ইভেন্টে বিভিন্নজনের এন্ট্রির পাশে আমার এই এন্ট্রিটি।
অবশ্যই নাস্তিক চাই কারন নামাজ, পূজা, চার্চ প্রে যেটাই হোক, সেটা প্রমান ছাড়া অনুভূতি, বিশ্বাসের ভিত্তিতে মানানো কোনো পার্টনার চাইনা এবং এ নিয়ে দাম্পত্য যুদ্ধগুলোও চাইনা।
নাস্তিক পার্টনারের অন্যান্য আদর্শ কি কি হবে, তার লেখা অনেক লম্বা হবে, এখন যা মনে পড়ছে, ততটুকুই লিখলাম। পার্টনারকে গেম ও অ্যানিমের কড়া ফ্যান হতে হবে, এরকম যে সে গেম খেলবে, অ্যানিমে দেখবে এবং মাঝেমধ্যে তাদের সম্পর্কিত বিভিন্ন background story তাদের উইকিতে পড়বে আর সেটা আমাকে দেখাবে এবং আনন্দের সাথে। তাকে নিয়ে বিভিন্ন কমিকনে ঘুরতে যাওয়া যাবে, তার মুখের ভাষাহবে গালিহীন আঞ্চলিকতা চিবানোহীন formal english এবং আধুনিক ঘরানার পোশাক ও চেহারা, তাকে নিয়ে কমিকনে হাতে হাত ধরে, কোমরে হাত রেখে এবং দুই হাতের উপরে মানে কোলে তুলে বহন করতে চাই। তার সাথে গেম কনটেস্টে গেম খেলতে চাই 1 vs 1. বাইরে থাকা অবস্থায় তার বড় ফোন বা কম্পিউটার বের করে সেখানে কোনো anime/comic related trivia লোড করে দেখাবে, fireworks and laser light show তে ্আমার সাথে থাকবে এবং খুব বাঙ্গাল রোমান্টিক না আবার খুব ফরমাল না এরকম মধ্যম western romantic কথা ও আচরন করবে।
Wednesday, December 6, 2017
মনোজগতীয় চলক প্রসঙ্গে
মানুষসহ কিছু প্রজাতির প্রানি যাদের মগজ বিবর্তিত হয়েছে সরল উচ্ছাসীয় চিন্তা/instinctual thought এর বাইরে জটিল চিন্তাক্ষমতা নিয়ে, সেসব প্রানির মধ্যে বিভিন্ন স্মৃতি, চিন্তা ও তার ফলে সৃষ্ট কর্ম/action কে চালু করা যায় বিভিন্নরকমের আলো, শব্দ, কথা, পরিবেশের দৃশ্য ইত্যাদি দিয়ে। এসব ব্যাপার যেগুলোর মাধ্যমে মনে স্মৃতি চিন্তা এসব চালু করা যায় মানে মগজ চালু করা যায়, সেগুলোকে মনোবিজ্ঞানে বলে মনোজগতীয় চলক বা psychological trigger. বিভিন্নরকমের মনোরোগ যেমন বিষন্নতা, অতিসুখ, post traumatic stress disorder, সন্দেহবাতিকতা (paranoia), আতংকরোগ (panic disorder), রাগ ইত্যাদি তৈরি করার ক্ষমতা যেহেতু বিভিন্ন কথ্যভাষা ও পরিবেশের মধ্যে থাকে, সেহেতু পশ্চিমা বিশ্বে পড়ুয়া জগতে (academics) এ বিভিন্ন বইয়ের পাঠ্যসূচি বা ক্লাস লেকচার শুরুর আগে সেখানে trigger alert/trigger warning বলা হয় যেখানে জানানো হয় যে আপনাদের মধ্যে যাদের উপরোক্ত বা কাছাকাছি কোনোরকম সমস্যা আছে, তারা যেনো পড়াটি পড়তে বা জানতে যাবার আগে প্রস্তুতি নেয় অথবা যেনো ক্লাস ত্যাগ করে। a soldier who saw his comrades burn to death might have intense reactions to the smell of grilling
আমিসহ যত ব্লগার ও ফেসবুকাররা আছে যারা লেখার মাধ্যমে নির্দিষ্ট কোনো লক্ষ্য পূরন করানোর চেষ্টা করছে মানুষকে লেখার মাধ্যমে জানিয়ে, তারা এই psychological trigger ব্যাপারটিরই ব্যবহার করাচ্ছে।
এই লেখাটি পড়ার ফলে আপনার মনে যেসব স্মৃতি ও চিন্তা আসছে, সেগুলোর পিছনে এই লেখাটি trigger হিসাবে কাজ করছে।
ক্যাকারট!!
Subscribe to:
Posts (Atom)